গল্পঃ
বাসর রাত
Part: 03 মেহবুব ও সারার বাসর রাত
ওদিকে সাবিহা বেঘোরে ঘুমুচ্ছে এরই মধ্যে ওর ফোনটা বেজে উঠল দেখে হসপিটালের ইমারজেন্সি হতে ফোন। বলল-তাড়াতারি ওকে যেতে হবে। ওদিকে মুমু ওকে যেতে দিতে নারাজ।আন্টি বলল-মা তোর মন আর শরীরের যে অবস্থা, কাজ দিয়ে কয়দিন ছুটি নে। বলল-না আন্টি, কাজ আছে দেখেই তো সব কস্ট গুলো ভুলে থাকতে পারি, নিজের পায়ে নিজে দঁাড়িয়ে আছি নইলে তো ত মেহবুবের পায়ের নিচেই থাকতে হত। নিজের সার্পোট নিজে করতে পারছি। আন্টি বুজতে পারল, বলল-ঠিক আছে মা, তুমি রাতে তারাতারি ফির। আমি তাহলে তোমার মা বাবার সাথে তখন কথা বলব।
যখন মেহবুবের জ্ঞান ফিরল দেখে হসপিটালের সাদা বিছানায় শোয়া। মাথাটা প্রচণ্ড ব্যাথায় দগ দগ করছে, চোখও খুলতে পারছে না।চোখ আধবোজ অবস্থায় কোনরকম চারপাশটা দেখল ওর জ্ঞান ফিরছে দেখে নার্স ডা কে খবর দিল। ডা এসে ওকে আবার ঘুমের ঔষধ দিল।
নার্স যখন ওকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দিচ্ছিল ও তখন ডা. এর দিকে হা করে তাকিয়ে ছিল। কারন সে ডা: অন্য কেউ না
-সাবমা মাথায় কোন হুশই ছিলনা একে তো সাবিহার উপর রাগ আরও সেড্রিংকস করছে।এরই মধ্যে ওর বড় ভাই ফোন দিল।
-হ্যা ভাইয়া বল। শুনাচ্ছে কেন?আমি বাসায় আসছি, তুই
তারাতারি আয় তো। আর হ্যা সাবিহাকে যেখান থেকে পারিস নিয়ে আয়।
-সাবিহা আর সাবিহা। তোমরা কি পাইছ ওর মাঝে???
– কি পাইছি তা তুই পরে বুঝবি। তুই ওকে ফোন দে আর বাসায় নিয়ে আয়। আর তুই ড্রিংকস করছিস না?? খবর দার গাড়ি চলাস না তাহলে -এই বলতে না বলতেই ও পাশ হতে জোরে আওয়াজ হল।
-হ্যালো মেহবুব, তুই ঠিক আছিস তো? হ্যালো। ওদিকে ভাইয়ের সাথে কথা বলতে বলতেই মেহবুবের গাড়ি একটা কাভার্ড ভ্যানের সাথে ধাক্কা খায়। সিট বেল্ট বাধাঁ না থাকায় স্টিয়ারিং হুইলে খুব জোড়ে ওর মাথা আছড়ে পড়ে।মূহুর্তের মধ্যে মাথা থেকে গল গল করে রক্ত বের হতে থাকে। মেহবুব যখন অজ্ঞান হবে হবে দেখে এক পুলিশ কনস্টেবল আর কিছু লোক ওর গাড়ির কাচেঁ ধাক্কা দিচ্ছে। এর পরে আর কিছুই দেখে নি। ও জ্ঞান হারায়।
তারাতারি আয় তো। আর হ্যা সাবিহাকে যেখান থেকে পারিস নিয়ে আয়।
-সাবিহা আর সাবিহা। তোমরা কি পাইছ ওর মাঝে???
– কি পাইছি তা তুই পরে বুঝবি। তুই ওকে ফোন দে আর বাসায় নিয়ে আয়। আর তুই ড্রিংকস করছিস না?? খবর দার গাড়ি চলাস না তাহলে -এই বলতে না বলতেই ও পাশ হতে জোরে আওয়াজ হল।
-হ্যালো মেহবুব, তুই ঠিক আছিস তো? হ্যালো। ওদিকে ভাইয়ের সাথে কথা বলতে বলতেই মেহবুবের গাড়ি একটা কাভার্ড ভ্যানের সাথে ধাক্কা খায়। সিট বেল্ট বাধাঁ না থাকায় স্টিয়ারিং হুইলে খুব জোড়ে ওর মাথা আছড়ে পড়ে।মূহুর্তের মধ্যে মাথা থেকে গল গল করে রক্ত বের হতে থাকে। মেহবুব যখন অজ্ঞান হবে হবে দেখে এক পুলিশ কনস্টেবল আর কিছু লোক ওর গাড়ির কাচেঁ ধাক্কা দিচ্ছে। এর পরে আর কিছুই দেখে নি। ও জ্ঞান হারায়।
মেহবুবের যখন জ্ঞান যায় তখন, ওর ফোনটা চালুই থাকে। বাইরের লোকজন গাড়ির কাঁচ ভেঙে ওকে বের করে করে আর ফোন ধরে ওর ভাইকে আসতে বেলে।ভাল য অ্যাকসিডেন্ট এর জায়গাটা ওদের বাসা হতে দূরে না। ওর ভাই ফোনে সেই কনস্টেবলকে হসপিটালের অ্যাড্রেস দিয়ে ওখানে নিয়ে যেতে বলে। হসপিটালে যখন বাসার সবাই পৌছাল দেখল ওকে ওটিতে নিয়ে গেছে। ওর মা মেহবুব মেহবুব বলে কান্না কাটি করছে।ওর বাবা ওর সাথে খারাপ আচারনের জন্য আপসোস করছে বার বার। ওর ভাবি তাদের সান্তনা দিতে গিয়েও পারছে না। ওদিকে সাবিহা বেঘোরে ঘুমুচ্ছে, এরই মধ্যে ওর ফোনটা বেজে উঠল দেখে হসপিটালের ইমারজেন্সি হতে ফোন। বলল-তাড়াতারি ওকে যেতে হবে। ওদিকে মুমু ওকে যেতে দিতে নারাজ।আন্টি বলল-মা তোর মন আর শরীরের যে অবস্থা, কাজ দিয়ে কয়দিন ছুটি নে। বলল-না আন্টি, কাজ আছে দেখেই তো সব কস্ট গুলো
ভুলে থাকতে পারি, নিজের পায়ে নিজে দঁাড়িয়ে আছি নইলে তো ত মেহবুবের পায়ের নিচেই থাকতে হত।
নিজের সার্পোট নিজে করতে পারছি। আন্টি বুজতে পারল, বলল-ঠিক আছে মা, তুমি রাতে তারাতারি ফির। আমি তাহলে
তোমার মা বাবার সাথে তখন কথা বলব। যখন মেহবুবের জ্ঞান ফিরল দেখে হসপিটালের সাদা বিছানায় শোয়া। মাথাটা
প্রচণ্ড ব্যাথায় দগ দগ করছে, চোখও খুলতে পারছে না।চোখ আধবোজা অবস্থায় কোনরকম চারপাশটা দেখল। ওর জ্ঞান ফিরছে দেখে নার্স ডা কে খবর দিল। ডা এসে ওকে আবার ঘুমের ঔষধ দিল। নার্স যখন ওকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দিচ্ছিল ও তখন ডা. এর দিকে হা করে তাকিয়ে ছিল। কারন সে ডা: অন্য কেউ না
-সাব সাবিহা যখন বিকেলে হসপিটালে পৌছাল ইমারজেন্সীতে যে রোগীর ফলোআপ নিবে তার কেবিনের সামনে পৌছেই দেখল ওর শাশুড়বাড়ির লোকজন সবাই বসে আছে। খুব বিরক্ত হল ও কারন ও বুঝছিল যে ওকে মানাতে এসেছে তারা, তাছাড়া ও চায় না এখনি ওর পার্সোনাল ব্যাপারে হসপিটালের কলিগরা জানুক,এতদিন তো সংসারের নামে সবাইকে মিথ্যা বলে আসছে, এখন যদি এই নাটক দেখে তখন কি বলবে??? কিন্তু তাই বলে এত লোকজন?? ওর শাশুড়িকে কাঁদতে দেখে তার কাছে এগিয়ে গেল। সবাই যখন ওকে দেখল ওর ননদ ওকে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল – দেখো না ভাবি ভাইয়া এ্যাকসিডেন্ট
করেছে, মাথায় খুব ব্যাথা পেয়েছে। ওর শাশুড়ি বলল-মা, তুই যখন এসেছিস আমার মেহবুব সত্যিই এবার সুস্থ হবে। আমাকে যেভাবে সুস্থ করছিলি, ওকেও সুস্থ করে তোল মা।
-ডা.কি বলেছে?
-ভাবি, ডা. এখনও কিছু বলে নি শুধু বলেছে প্রচুর রক্ত গেছে, জরুরী ভাবে রক্ত দেয়া হইছে। তবে এখনও জ্ঞান ফিরে নি।
-আচ্ছা আমি দেখছি। এই বলে ও কেবিনে গেল, মেহবুব বিছানায় শোয়া, এখনও জ্ঞান ফিরে নি।
-বাবাহ্, মেহবুব সাহেব! আপনার কথার ঝাঁঝ কৈ গেল?আহারে আপনি আপনার সিংহাসন ছেড়ে এই হসপিটালে কেন?আপনাকে তো ভাব ছাড়া এভাবে মানায় না, ব্যাটা শয়তান। বোঝ মজা এবার। —মনে মনে ভাবতে ভাবতে বিছানার পাশে গেল। পুরো ফলো আপ নিল, কন্ডিশন আসলেই খারাপ। নার্সকে ঘুমের ইঞ্জাকশন দিতে বলল।দেখল মেহবুব চোখ হালকা খুলছে আর ওর কি হা করে তাকিয়ে আছে। ও চোখ কুচঁকে মেহবুবের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল
-বাবাহ্, মেহবুব সাহেব! আপনার কথার ঝাঁঝ কৈ গেল?আহারে আপনি আপনার সিংহাসন ছেড়ে এই হসপিটালে কেন?আপনাকে তো ভাব ছাড়া এভাবে মানায় না, ব্যাটা শয়তান। বোঝ মজা এবার। —মনে মনে ভাবতে ভাবতে বিছানার পাশে গেল। পুরো ফলো আপ নিল, কন্ডিশন আসলেই খারাপ। নার্সকে ঘুমের ইঞ্জাকশন দিতে বলল।দেখল মেহবুব চোখ হালকা খুলছে আর ওর কি হা করে তাকিয়ে আছে। ও চোখ কুচঁকে মেহবুবের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল
রোমান্টিক গল্প প্রেমের গল্প ভালোবাসার গল্প
-আসলেই তো ব্যাটার মনে জোড় আছে, এত কিছু হল তারপরও এত তারাতারি জ্ঞান এল???ভাবিস্ট দেখি জাতে মাতাল তালে ঠিক।… ভাবছিল ব্যাটা কিছুদিন থাকুক বিছানায় শুয়ে। ও করল কি নার্সকে সিরিয়াস মুখে বলল – আরও এক ডোজ বেশি পাওয়ার ঘুমের ঔষুধ দাও ওনাকে, ওনার পুরো বেড রেস্ট দরকার। এই বলে মুচকি মুচকি হাসতে হাসতে হাসতে কেবিন থেকে বেরিয়ে ওর শাশুড়ির কাছে গেল, গিয়ে পুরো গম্ভীর মুখে বলল -মা, ওনার মাথার যখম বেশি,তবে পুরোপুরি আশংকা মুক্ত। ওনার পুরো বেড রেস্ট চলবে কিছুদিন। আপনি টেনশন নিবেন না।
-আমি জানতাম মা, তুমি আসলেই ও ঠিক হবে। তুমি ওর কাছ থেকে কোথাও যাবা না, তাহলে আমার ছেলে আবার অসুস্থ হবে। হাহ্ আপনার ছেলে তো আমাকে দেখতেই চায় না ভাবল। রাতের দিকে মেহবুবের কলিগরা আর ওর কিছু বন্ধুবান্ধব আসল দেখতে।তারা ওকে দেখবে কি সাবিহাকেই সবাই দেখতে চায়, কথা বলতে চায়।বিয়ের সময় সবাই দেখেছিল ওকে, পরে সবাই ওকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিলেও মেহবুব ওকে নেয় নি। ও ও মনের রাগ ভুলে তাদের সাথে কথা বলেছে।কাউকে বুঝতেই দিল না ওদের মধ্যে কোন সমস্যা আছে। সবাই যাবার পর, ওর শশুড় বাড়ির সবাইকে বাসায় পাঠিয়ে দিল- -ওনার তো সকালের আগে জ্ঞান ফিরবে না, আপনারা বাসায় চলে যান। কোন সমস্যা হলে আমি বাবা
বা ভাইয়াকে ফোন দিব।এই বলে ও জোড় করে সবাইকে বাসায় পাঠাল। আর ওর অসহ্যও লাগছিল, তারা থাকলে তাদের সাথে কথা বলা লাগত আর এখন ওর মন বা মেজাজ কিছুই ঠিক নেই কোন ফর্মালিটি পালন করার।
বা ভাইয়াকে ফোন দিব।এই বলে ও জোড় করে সবাইকে বাসায় পাঠাল। আর ওর অসহ্যও লাগছিল, তারা থাকলে তাদের সাথে কথা বলা লাগত আর এখন ওর মন বা মেজাজ কিছুই ঠিক নেই কোন ফর্মালিটি পালন করার।
তাছাড়া সকাল থেকে তাদের ছেলে ওর সাথে যা যা করছে এখন মেহবুবের পাশাপাশি ওর ফ্যামিলির প্রতিও
বিরক্তি এসে গেছে, যেন এখন সবাই গেলেই বাঁচে। ডা.লাউঞ্জে ফিরে এল ও,ভাবল মুমুকে ফোন দিবে। -হ্যালো মুমু আমি না আজ ফিরব না, তুই চিন্তা করিস না।
-কেন তুই কোথায়?
-হসপিটালে একটা জরুরী কাজ পরে গেছে রে।
বিরক্তি এসে গেছে, যেন এখন সবাই গেলেই বাঁচে। ডা.লাউঞ্জে ফিরে এল ও,ভাবল মুমুকে ফোন দিবে। -হ্যালো মুমু আমি না আজ ফিরব না, তুই চিন্তা করিস না।
-কেন তুই কোথায়?
-হসপিটালে একটা জরুরী কাজ পরে গেছে রে।
-আমি বললাম না তোকে কাজ দিয়ে ছুটি নিতে?
-হ্যা নিব তো আর হ্যা শোন আমি সকালে ডিউটি শেষে আপুর বাসায় যাব। আন্টিকে বলিস যে মা বাবার সাথে আমিই কথা বলব সে যেন টেনশন না করে, পরে কি হয় আমি তোকে জানাব।
-ওকে বাই, টেক কেয়ার।
-বাই। সাবিহার মনটা খারাপ লাগছিল মেহবুবের মায়ের জন্য, ছেলেটা যাই হোক ওর পরিবারপরিজন কখনই ওকে অবহেলা করে নি বিয়ের পর থেকে। টেবিলে বসে বসে ভাবতেছিল বিয়ের পরদিন থেকে কি না সহ্য করছে। ওই তো একসময় ছিল সবকিছুতে নাক কুঁচকানো, রাগচটা।যে অন্যের কোন উল্টো কথা শুনতেই পারত না, চিৎকার চেঁচামেচি করে বাসা মাথায় নিত। ওর দুলাভাই বলত -আমার শশুরের কষ্ট আছে এই মেয়ের বিয়ে দিতে। হ্যা আজ ও কথা শুনে কিন্তু চুপ করে,মেহবুবের। ছোটবেলা থেকেই ওর শপিংয়ের খুব ইচ্ছা। প্রতি সপ্তাহে ওর শপিং করা লাগবেই। মা বাবা কিছুই বলত না। কি বা বলবে একমাএ ছোট মেয়ে ও। ও খরচ করবে না তো কে করবে??? কিন্তু বিয়ের পর এই নিয়ে কথা শুনতে হবে তা কোনদিন ভাবেই নি।
-হ্যা নিব তো আর হ্যা শোন আমি সকালে ডিউটি শেষে আপুর বাসায় যাব। আন্টিকে বলিস যে মা বাবার সাথে আমিই কথা বলব সে যেন টেনশন না করে, পরে কি হয় আমি তোকে জানাব।
-ওকে বাই, টেক কেয়ার।
-বাই। সাবিহার মনটা খারাপ লাগছিল মেহবুবের মায়ের জন্য, ছেলেটা যাই হোক ওর পরিবারপরিজন কখনই ওকে অবহেলা করে নি বিয়ের পর থেকে। টেবিলে বসে বসে ভাবতেছিল বিয়ের পরদিন থেকে কি না সহ্য করছে। ওই তো একসময় ছিল সবকিছুতে নাক কুঁচকানো, রাগচটা।যে অন্যের কোন উল্টো কথা শুনতেই পারত না, চিৎকার চেঁচামেচি করে বাসা মাথায় নিত। ওর দুলাভাই বলত -আমার শশুরের কষ্ট আছে এই মেয়ের বিয়ে দিতে। হ্যা আজ ও কথা শুনে কিন্তু চুপ করে,মেহবুবের। ছোটবেলা থেকেই ওর শপিংয়ের খুব ইচ্ছা। প্রতি সপ্তাহে ওর শপিং করা লাগবেই। মা বাবা কিছুই বলত না। কি বা বলবে একমাএ ছোট মেয়ে ও। ও খরচ করবে না তো কে করবে??? কিন্তু বিয়ের পর এই নিয়ে কথা শুনতে হবে তা কোনদিন ভাবেই নি।
ভাবল সে দিন যে দিন ওর শাশুড়ি মেহবুবকে বলল -সাবিহাকে নিয়ে শপিংয়ে যা। দিনটা ছিল বিয়ের এক সপ্তাহ পর।ও ভাবছিল মেহবুবের সাথে কিছুটা সময় কাটাতে পারলে হয়ত ওকে বুঝতে পারবে। যেই ভাবা সেই কাজ। সেজে গুজে বের হল ওর সাথে। শপিং মলে গিয়ে ও বাড়ির জন্য সবার জন্য কিছু না কিছু কিনল। মেহবুব পুরোটা সময় কোন কথাই বলল না। এক রাশ বিরক্ত নিয়ে ওর পিছু পিছু হাটতে ছিল।
এক বার একটা ব্যাগ হাতে নেবার কথা বলেছিল, ওর দিকে এমন ভাবে কটমট করে তাকিয়ে ছিল যেন কোন কাজের লোকের কাজ করে দেয়ার কথা বলছিল তখন ওর হাতে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বলেছিল –
আমি গাড়িতে গিয়ে বসলাম তুমি কাজ শেষ করে এসো। ও তখন সবার জন্য কেনার পাশাপাশি মেহবুবের জন্যও একটা নীল পাঞ্জাবি কিনল। কিন্তু নিজের জন্য কিছুই কিনল না মেহবুবের টাকা দিয়ে কারন ওর ইচ্ছা ছিল মেহবুব নিজে থেকে যেদিন ওকে কিছু কিনে দিবে সেইদিনই ওর থেকে নিবে তার আগে না। শপিং সেরে বাসায় যাবার পথে মেহবুবকে ওর পাঞ্জাবির প্যাকেটটি দিল, খুলার পর ওটা দেখেই ওর দিকে ছুড়ে দিয়ে বলল -এটা কোন রং হল?? আমি এসব পড়ি না।আর এত দেরি কেন আমি কি তোমার পিয়ন?? এরকম লজ্জাকর অবস্থায়ওকোন দিন পরে নি সাবিহা, না পারছিল কাঁদতে না পারছিল গাড়ি হতে নেমে যেতে। সারাটা পথ মাথা নিচু করে বাসায় পৌছাল। বাসায় সবার পোশাক দিল। সবাই খুবই পছন্দ করল।কিন্তু মন ভরবে কি???কি লাভ হলো সবাইকে খুশি করে? যার জন্য করছে, সে ওর সাথে কি বিহেব করল? রূমে গিয়ে পা দেয় কি দেয় নি শুনতেছে মেহবুব কাকে যেন বলছে ফোনে -এই মেয়ে সংসার করার মত না, আজ আমার হাজার হাজার টাকা নস্ট করছে। এমন ভাব করছে যেন মলে কোনদিন যায় নি,ছোটলোক!!!
সাবিহা ছোটলোক!! যে নিজের হাতে ইনকাম করে!!! ও কিছুই না বলে ওর ব্যাগটা নিয়ে বাসা হতে বের হয়ে যায় হসপিটালে ডিউটি আছে বলে, আসলে ডিউটি ছিল না, বাসায় থাকবে না ভেবেই হসপিটালে ওভার টাইম করবে, রাতে কয়একবার সাবিহা মেহবুবের কেবিনে গেল, ওকে দেখতে। ও তখন বেঘোড়ে ঘুমুচ্ছে, মাথায় ব্যান্ডিজ বাঁধা,মুখটা ব্যাথার যন্ত্রনায়
কুঁচকিয়ে রয়েছে। আজ সাবিহা প্রথম খেয়াল করল লোকটার মুখে একটা মায়া আছে, ও আগে শুনত যে ঘুমুলে মেয়েদের মুখটা মায়াকারা হয় কিন্তু ছেলেদেরও হয় তা আজ প্রথম জানল। ভাবল এখন যেন ও ঘুমিয়ে তাই এমন লাগছে যদি জেগে থাকত তাহলে নিশ্চই এখন ওকে দেখলে বাজে বিহেব করত, দূর দূর করে তাড়িয়ে দিত। একথা ভাবতেই ওর মনটা বিষিয়ে উঠল। ও রুম থেকে বেরিয়ে কড়িডোরে হাঁটছে আর ভাবছে যে বিয়ের পরদিন থেকে যতই মোহবুবকে ছাড়ার কথা মনে হয়েছে ততবারই একের পর এক ঘটনা ঘটেছে। প্রথম ওর মা, সে সুস্থ হবে হবে করে যখন সুস্থ হল, যখন সব কিছু শেষ করবে তখন মেহবুব নিজে না জানি এ নিয়ে কতদিন ঝুলতে হয়।
কাল হয়তো ওর নিজের ফ্যামিলিকেও মেহবুবের অসুস্থতার কথা জানাতে হবে কারন যাইহোক চক্ষুলজ্জা তো আছে ওর। ওর জখম দেখে মনে হচ্ছে কয়েকদিন হসপিটালে থাকতে হবে, আর যতদিন থাকবে ওর ফ্যামিলির ইমোশনাল অত্যাচার চলতেই থাকবে। ভাগ্যেরও কি লিলা মেহবুব ওরই পেশেন্ট হল শেষ পর্যন্ত!!! আর কি কেউ ছিল না?কত ডা. ই তো থাকে ইমারজেন্সীতে। কাল সকালে যখন মেহবুবের হুশ হবে তখন ওকে দেখেই তো আবার ভ্রু কুচঁকাবে। না পারছে অন্য ডা.এর হাতে পেশেন্ট ট্রান্সফার করতে না পারছে নিজে দেখতে কারন ওর কলিগরা সবাই ইতিমধ্যে জেনে গেছে।আর ও নিজেই এই মেডিকেলের এক্সস্টুডেন্ট, সবাই চিনে ওকে, ওপাশথেকে ওপাশ হলেই সবাই ওর পারসোনাল জীবন সম্পর্কে জেনে
যাবে,যে ব্যাপারে ও খুবই সেনসিটিভ। তখন আর মুখ দেখতে পারবে না, ওকে এখানের চাকরি ছাড়তে হবে। আর
সবথেকে বড় কথা মেহবুবের চাচা এখানের কলেজের প্রফেসর।
যাবে,যে ব্যাপারে ও খুবই সেনসিটিভ। তখন আর মুখ দেখতে পারবে না, ওকে এখানের চাকরি ছাড়তে হবে। আর
সবথেকে বড় কথা মেহবুবের চাচা এখানের কলেজের প্রফেসর।
যার কারনেই আজ যত ঝামেলার জন্ম। কাল সে এখানেও ছিল ওএকবারের জন্যও তার দিকে তাকায় নি অভিমানে।যে স্যার ছিল ওর মেডিকেল লাইফের আর্দশ,যার হাত ধরে পাশ করেছে, যাকে দেখে ওর মনেও সাধ জাগত যে ও ও একদিন টিচার হবে, ও ও স্যারের মত করে পড়িয়ে ওর স্টুডেন্টদের ডা. বানাবে। আজ তাকে দেখলেই ইচ্ছে করে জানতে -আপনি জেনে শুনে কেন আমার সাথে এমনটা করলেন??? কিন্তু ও তো আর মেহবুব না যে সবার সাথে বেয়াদবি করবে।
পরদিন সকালে ওর ডিউটি শেষ কিন্তু তারপরও ও হসপিটাল ছাড়তে পারছে না। ডা.লাউঞ্জে ঢুতেই ওর এক কলিগ বলল – আহারে নুতন বউয়ের দেখি এক রাতেই চোখের নিচে কালি তার মেজরের চিন্তায়। আরও একজন বলল-ইস্ কি রোমান্টিক না?? জামাই বউয়ের পেশেন্ট। সাবিহা তোমার হাত কাপে নি ভাইয়াকে দেখার সময়??
পরদিন সকালে ওর ডিউটি শেষ কিন্তু তারপরও ও হসপিটাল ছাড়তে পারছে না। ডা.লাউঞ্জে ঢুতেই ওর এক কলিগ বলল – আহারে নুতন বউয়ের দেখি এক রাতেই চোখের নিচে কালি তার মেজরের চিন্তায়। আরও একজন বলল-ইস্ কি রোমান্টিক না?? জামাই বউয়ের পেশেন্ট। সাবিহা তোমার হাত কাপে নি ভাইয়াকে দেখার সময়??
-সাবিহা তোমার পেমেন্ট হিসেবে কি কি নিবা লিস্ট করে নাও। সেই কথার উওরে আরও একজন বলল- ইস্ আমার জামাইটা একটু অসুস্থ হতে পারত না। এ কথা শুনার পর সবাই হো হো করে হাসা শুরু করছে,সাবিহার অবশ্য রাগে গা জলছিল। মনে মনে ভাবছে -আমার জামাইর মত তোমাদের হলে বুঝতা এই ভাবতে ভাবতে ওর পারসোনাল ফোনটা অন করে কাল মুমুর সাথে কথা বলার পর ফোনটা ওফ করে রাখছিল,বাসায় ফোন দিবে। মায়ের সাথে আজ ২দিন কথা হয় নি, ওমিন ও দেখে ওর বোন ফোন করেছে।
-কি রে কি হয়েছে তোর? ফোন অফ ক্যান?
-চার্জ ছিল না।
-তুই জানিস তোকে ফোন দিতে দিতে হয়রান আমরা, আজকে সকালে মা বাবা আসছে মেহবুবের খবর শুনে।
-কি বল?? তোমরা কিভাবে জানলে?
-মায়ের সাথে কবে কথা বলেছিস মনে আছে তোর?বাসায় বসে কান্নাকাটি করছে, তখন বাবা মেহবুবের বাবাকে তোর খবর জানার জন্য ফোন দিসে তখন শুনে এসব কাহিনী।
-তাদের টেনশন করতে নিষেধ কর উনি ঠিক আছে।
-শোন আমরা আসতেছি হসপিটালে। বাই। যাহ্!! বার বার চেয়েছিল এই লোকটার কথা নিজের ফ্যামিলিকে জানাবে না ডির্ভোসের টেনশনই কিভাবে দিবে তাই ভেবে পাচ্ছিল না এখন আবার আগে এই টেনশন দিতে হচ্ছে। না জানি মা বাবার অবস্থা কি হয়েছে শুনে? শত হলেও তারা তো মেহবুবকে জামাই হিসেবে মানে। নিচে ওর ফ্যামিলির লোকজন এসে ওকে ফোন দিল। অনেকদিন পর ওর মাকে দেখে এত ভাল লাগছিল।
-আহারে আমার ছোট মা, দেখ শরীরের কি অবস্থা হয়েছে।–মা বলল
-আরে মা ও কিছু না, তুমি জানো না রাতে ডিউটি করা কত কস্টের??ঘুম হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
-মেহবুব কোথায়?
-উনি এখনও ঘুমে।
-চল দেখি ওকে।
-না মা। এখনই কেবিনে যাওয়ার দরকার নেই। উনার এখন সম্পূর্ণ বেড রেস্ট প্রয়োজন।
-দেখ আমার মেয়ে আমার সাথে কি রকম ডা. এর মত কথা বলছে। হাহাহা.. খুব ভাল মা। তুই অল্পতেই নিজ দায়িত্ব বুঝে নিছিস।
বাংলা ভালোবাসার গল্প ভালোবাসার রোমান্টিক গল্প
-ধূর মা ও সব কিছুই না, আমি কাল ওনার ফ্যামিলিকেও দেখা করতে দেই নি। ওনার মা তো খুব কান্নাকাটি করছে তারপরও।উনি আস্তে একটু রিকভারি হোক তখন দিব নইলে ওনার ডিস্টার্ব হবে, মাথায় জখম তো। পরক্ষনে ভাবল না থাক দেখা করিয়ে দেই, মেহবুবের তো কোন হুশ নেই, বরং হুশ থাকলে মা বাবা তো তার সাথে কথা বলতে চাইবে তখন মেহবুব কি না কি বলে!!! তখন মা বাবা ওর বোনটা খুবই কষ্ট পাবে আর এর জন্যই তো এতদিন ওদের দূরে রাখছে যাতে ওরা
কষ্ট না পায়। তাই ভেবে ও তাদের মেহবুবের কেবিনে নিয়ে গেল। মেহবুব ওর মা বাবার সাথে কোনমতে দায়সারা কথা বলতে ছিল,সাবিহা বুঝতে পেরে তাদের বলল-বাবা তোমরা এস, উনার রেস্ট দরকার।
তারপর তারা মেহবুবরের সাথে বিদায় নিয়ে কেবিন হতে বের হয়ে এল।ওর তাদের দিকে তাকানোর কোন সাহসই হচ্ছিল না উলটো বলল-মা তুমিও না কথা বলা শুরু করলে আর থামতেই চাও না, কি দরকার যেচে এত কথা বলার???
-আরে বাবা, যেচে কথা বলার কি হলো??
-আচ্ছা যাও এখন আমার কাজ আছে। একরকম জোড় করেই তাদের বিদায় করল। ওদিকে তারা যাবার পর পরই মেহবুবের মা বাবা আসল এখনতো আবার তাদের সাথেও যেতে হবে। অসহ্য বিরক্তি নিয়ে গেল তাদের মপহবুবের কাছে, ওর কাজ আছে বলে বের হতে যাবে ওমনি ওর শাশুড়ি ওকে আকঁড়ে ধরল, ওকে যেতে দেবে না তার পাশে বসে থাকতে হবে,সে যে নাস্তা নিয়ে আসছে তা তার হাতেই খেতে হবে। এতো মহা মুসিবত!! আবার এই মহিলাকে কিছু বলতেও পারে না, অল্প সময়ে খুবই ভাল সম্পর্ক হয়ে গেছে তার সাথে। অগত্যা বসতে হল,খেতে হল। পুরোটা সময় মেহবুব অন্য দিকে ফিরে ছিল।ভাবটা এমন ছিল- দেখ বাসা থেকে
বের করে দিছি ওদিকে এখন আবার আমার মায়ের হাতে খাচ্ছে। সাবিহা মনে মনে ভাবল-ব্যাটা ভাব ধরিস না নইলে আবার ঘুমের ঔষধ দিব।
ওর শাশুড়ি খাইয়েয়ি ছাড়ল না বলল তার সাথে বাসায় যেতে হবে এখন। সাথে সাথে মেহবুব ওর দিকে ফিরল।বাহ্ এতক্ষন
তে আরেকদিকে ফিরে ছিলেন আসল কথায় আসতেই এখন ওর দিকে তাকাল ভাবল সাবিহা। ও ও চিবিয়ে চিবিয়ে বলল ওর দিকে তাকিয়ে-না মা আমার কাজ আছে। মা বাবা
ফিরছে আজ ওদের সাথে দেখা করতে যাব আপুর বাসায়।
-ও হ্যা কাল তোমার বাবাকে ফোন দিয়েছিল। আচ্ছা তুমি এককাজ কর তাদের বাসায় নিয়ে আস।
-না মা এখন থাক,ঝামেলার দরকার নেই।বাসার সবাই এখন উনাকে নিয়ে টেনশনে আছে এখনি তাদের আনতে হবে না
আমি বরং তাদের সাথে দেখা করে আসি। ওর শাশুড়ি ওর গাল আদর করে টিপে দিয়ে বলল-আচ্ছা মা যাও,, তুমি বিকেলের আগে এস।
-জি মা। ভাল সমস্যা এরা দেখি ওকে ছাড়তেই চাইছে না। ওদিকে ছেলে তো কোলা ব্যাঙের মত মুখ করে আছে। ওর বোনের বাসায় যাবার পর তাদের সবার হাসি মুখ দেখে সব কস্ট ভুলে গেল।মা বাবার সাথে আড্ডা দিল, বোনের সাথে,
তার বাচ্চাদের সাথে খুনসুটি করল ভাবল আসলে ওর জীবনটা তো খারাপ না। কি নেই ওর??? নিজে এস্টাবলিস,একটা সাপোর্টিং ফ্যামিলি আছে, ওর ফ্যামিলির
হাসিমুখ দেখলে ও রকম মেহবুবের মত সংসার ছাড়তেও রাজি, যার কাছে ওর কোন দাম নেই।
আজ অনেকদিন পর অনেকক্ষণ ধরে শাওয়ার নিল,মায়ের হাতে খেল।ভাবছিল একবার সব কাহিনীগুলো বলি পরক্ষনে
সে চিন্তা বাদ দিল। তাহলে এই আনন্দের সময়টা শেষ হয়ে যাবে। ওদিকে ওর শাশুড়ি ফোনের পর ফোন দিয়েই যাচ্ছে শেষে ওর বোনের নাম্বারে ফোন দিয়ে বলল ওকে যেতে হসপিটালে। কি আর করা মেহবুবের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করতে
করতে গেল হসপিটালে। গিয়ে দেখে ওদের আত্নীয়রা,মেহবুব
ের কলিগ আরও অফিসাররা একের পর এক আসছে দেখা করতে,মেহবুবের তো দেখা করা,অতিরিক্ত কথা বলা বারন করেছে সাবিহা অগত্যা ওকেই সবার ফেস করতে হল, সবার সাথে ভাল বিহেভিয়ার করল। রাতের দিকে মেহবুবের বোন,ভাবি আসল।ওকে আজকে দেখে খুব খুশি হল ওরা। ভাবি কানে কানে বলল-আমি জানতাম তুমি আসবে।
তারা যাওয়ার সময় মাকে সাথে করে নিয়ে যেতে চাইল কিন্তু সে সাবিহার আর মেহবুবের সাথে থাকবে, শত হোক মা ই তো।সে সাবিহাকে বলল-মেহবুবের পাশের বেডে থাকবে। কি আর করা।ও মেহবুবের সাথে কথা না বলার শর্তে রাজি হল।পাশের বেডে বসে ওর মায়ের কত কথা! সাবিহা সব মনোযোগ দিয়ে শুনছে।পাশাপাশি ও মেহবুবের দিকে আড় চোখে তাকাত।
দেখত সে এক দৃস্টিতে টিভির দিকে তাকিয়ে আছে।তাও আবার কোন চ্যানেল?? – ডিসকভারি! এই লোকটা যে কোন ধরনের মানুষ ও বুঝতেই পারতেছিল না।ভাবি তো একদিন বলছিল ওনার দেবর খুব ভাল ছেলে, এই তার নমুনা?? কাল যা ব্যবহার করল ওর সাথে, তার পর ও তাকে ভাল বলতে নারাজ। পরিস্তিতির চাপে এখন এখানে বসা। মাঝে মেহবুব বাথরুমে গেল, পানি খেল সব কিছুতেই ওকে সাবিহা হেল্প করল শুধুমাএ ওর মায়ের দিকে তাকিয়ে।
-তুই কোথায়? আর তোর গলা এমন মহিলার সাথে ওর একটা আলাদা ভাল লাগার সম্পর্ক হয়ে গেছে। পানি খাবার সময় ওকে মেহবুব বাঁধা দিচ্ছিল, তখন ওর মা বলল-দেখো সাবিহা আমার ছেলে লজ্জা পাচ্ছে। আমি না থাকলে বউয়ের হাতে ঠিকই খেতি।কথাটা শুনে সাবিহার একটা দীর্ঘ নিঃশাসই পরল কেবল, মেহবুবের দিকে তাকিয়ে ওর মুখটা বোঝার চেস্টা করল।কিছুই বুঝল না। রাতে ও মেহবুবকে ঔষধ খাইয়ে চলে গেল ডা লাউঞ্জে রেস্ট নিবে। আজ ইচ্ছা ছিল নিজের মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমুবে তা আর হল না। কবে যে এই দোটানা দিন গুলো শেষ হবে জানে না একসময় সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ল।


