Type Here to Get Search Results !

রোমান্টিক বাংলা গল্পঃ পর্ব:০৩ [প্রিন্সিপাল ম্যাম]

গল্প:

প্রিন্সিপাল ম্যাডাম

Part : 03 শাহরিয়ার ও ইরা ম্যাডাম

- ম্যাম এর বাসা থেকে আসার পর থেকে তো এক মিনিট ও স্থির থাকতে পারতেছি না।  আর এই দিকে মনে হয় ঘড়ির কাঁটা ও ঘুরতেছে না। ওহহহহহহহহহহহহহ কখন যে বিকেল হবে, আর কখন ম্যাম এর কাছে পড়তে যামু। মনে মনে ভাবতেছি সালার ঘড়ির কাঁটা গুলো ঘুরিয়ে দিই,কিন্তুু কাঁটা ঘুরে দিলেই তো আর বিকেল হবে না,  তাই ঘড়ির সামনে বসে আছি। ভাই ঘড়ি একটু তাঁড়াতাড়ি ঘুর না।

আমি কী ছাগল নাকি, এত না ভেঁবে ম্যাম কে ফোন দিলেই তো হয়। ওহহহহহহহ এইটুকু বুদ্ধি ও আমার নাই। সাহরিয়া, তুই সত্যি একটা গাধা। আর কিছু না ভেঁবে ম্যাম কে ফোন দিলাম। বুকটা কেমন ধুক ধুক করতেছে। যখন ফোনটা ইরা ম্যাম এর ফোনে ঢুকে টুতত টুতত শব্দ হচ্ছে, তখন বুকের হৃদস্পন্দনটা যেন আরো বেঁড়ে গেলো।

- হ্যালো......।

- ম্যামের হ্যালো শুনে যেন সব কিছু থমকে গেলো।

- হ্যালো... কে বলছেন।

- ইয়ে.... মানে, ম্যাম আমি সাহরিয়া

- ওহহহহহ... সাহরিয়া, তো কেন ফোন দিছো।

- আচ্ছা ম্যাম... বিকেলে তো যেতে বলছেন, কিন্তুু বিকেল তো তিনটা, চারটা, পাঁচটা পর্যন্ত থাকে। আসলে মানে কয়টার দিকে যাবো তাই আর কী?

- তুমি চারটার দিকে এসো।

- এতো... লেট..... আমি তিনটার সময় যাই।

- না.... চারটা বলছি মানে চারটা।

- ঠিকআছে।

- তাহলে এবার ফোন রাখো।

- আচ্ছা।

এখন বাজে এগারোটা... চারটা বাজতে আরো পাঁচ ঘন্টা লেট। আজকে আবার কলেজ ও নাই যে কলেজে গিয়ে ইরা ম্যামরে দেখমু। এপাশ ওপাশ করে একটা বাজলো, গোসল করে খেয়ে শুয়ে আছি, আচ্ছা এইটা তো শোনা হয় নাই কোন কোন বই নিয়ে যামু।

আবার ম্যামরে ফোন দিলাম

- হ্যালো... ম্যাম।

- সাহরিয়া... তোমার কী হইছে বলতো, এত ফোন দাও কেনো।

- না মানে ম্যাম, কোন কোন বই নিয়ে যাবো সেটা শোনার জন্যই ফোন দিছিলাম।

- তুমি যেই সাবজেক্ট গুলোতে একটু দূর্বল সেই গুলো নিয়ে আসো।

- আসলে মানে ম্যাম..আমার মতো করে ধরতে গেলে আমি সব সাবজেক্ট এ স্ট্রং। বাট যদি আপনাদের মতো করে আর বইয়ের ভাষাই ধরতে গেলে আমি তো ম্যাম সব গুলোতেই লাড্ডু।

- ওহহহহহহহহহহহ..... তোমার যেইটা মনে হয় সেই গুলো নিয়ে এসো। আর চারটার আগে একবার ও ফোন দিবা না।

- আচ্ছা ।

আমি বুঝিনা এইটা কোন মেয়ে নাকি অন্য কিছু, কথাই কথাই ছ্যাঁত করে উঠে। তা তো উঠবোই মানুষ হইছে তো আমেরিকাই, বাংলাই মানুষ হইলে না বাংলার মানুষের মতো হইতো। অনেক কষ্টে তিনটা পর্যন্ত বিছানাই এপাশ ওপাশ করে কাঁটাইছি... আর ধর্য ধরতে পারতেছি না। তাই ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে, ম্যামের বাসার সামনে গিয়ে উঁকি ঝুঁকি মারতেছি। কখন ও বা বসে বসে হা করে ইরা ম্যামের জানালার দিকে তাঁকিয়ে আছি।

বাংলা গল্প

ওহহহহ চারটা যে কখন বাঁজবে

 একটু পরে ঘড়ির দিকে তাঁকিয়ে দেখি 3:58। ওমনি ফোনটা বের করে, ম্যামকে ফোন দিলাম।

- হ্যালো ম্যাম... চারটা বেঁজে গেছে, আর আমি নিচে দাঁড়িয়ে।

- সাহরিয়া... এখন বাঁজর 3:58 আর আমি তোমাকে, চারটার দিকে ফোন দিতে বলে ছিলাম।

- আরে চারটা তো এখনি বাঁজবে, তাই আর কী?

- ঠিকআছে... তুমি বাহিরেই থাকো আমি আসতেছি।

- আচ্ছা।

মনে হয় এখানেই পড়াবে।একটু পরে দেখি ম্যাম গেটটা খুলে বের হয়ে আসতেছি। ওনাকে দেখে মনে হচ্ছিলো সাক্ষাৎ একটা পরী। আমার একটা ফ্রেন্ড কে পরীয়ে ধরছিলো, ওকে নাকি সপ্নে এসে দেখা দিতো। আর ও পরীটার যেমনটা বর্ণনা দিছিলো, ইরা ম্যাম তো তাঁর থেকে ও তিন চার ধাপ উপরে। আমি তো একটা মানুষ পরী দেখতেছি।

 এমন সময়।

- সাহরিয়া.... এমন হা করে কী দেখতেছো।

- না মানে কিছু না ম্যাম...আমরা কী এখন রাস্তাই পড়বো।

- হোয়াট।

- না মানে বাহিরেই থাকতে বললেন তো তাই।

- যাও রিক্সা ডাকো।

- ম্যাম...তার মানে এখন আমার ঘুরবো, ওহহহহহ এই কথাটা আর কয়টা মিনিট আগে বললেই তো,,কী সুন্দর হয়ে আসতাম।

- তুমি বিয়ে করতে যাচ্ছো না যে অনেক সুন্দর হয়ে আসতে হবে, যা বলছি তাই করো, রিক্সা ডেকে আনো।

- হি হি.... আচ্ছা।

ইরা ম্যামের পাশে বসে,  রিক্সাই করে যাচ্ছি... আর আমি তো খুশিতে গুলো গুলো হয়ে গেছি।

- ঐ এমন... সাপের মতো মুচরাইতেছো কেনো।

- ম্যাম আপনার সাথে যে এত তাঁড়াতাড়ি রিক্সাই পাশাপাশি বসে ঘুরবো, গতকাল রাতে ও সপ্নে ভাবিনি। আপনাকে আইসক্রিম এর মতো লাগতেছে, আর আইসক্রিম এর মধ্যে যেই ডাটটা থাকে আমাকে ওটার মতো লাগতেছে... হি হি।

- আচ্ছা তুমি কী? একটু চুপচাপ থাকতে পারো না।

- আর আপনি কী একটু, হাঁসিখুশি থাকতে পারেন না।

- সাহরিয়া... এমন বকবক করলে, কাল থেকে আর পড়াবো না।

- আচ্ছ, ঠিকআছে....।


- এই যে মামা রিক্সাটা সামনে থামান।  সাহরিয়া রিক্সা থেকে নামো।

- হুমমমমমম।

- এই যে মামা ভাড়াটা নেন। সাহরিয়া আসো।

- আচ্ছা।

- হঠাৎ... এমন চুপচাপ হয়ে গেলে কেনো।

- আসলে আমার মধ্যে মিডিয়াম জিনিসটা নেই... হয় ফাস্ট না হয় একদম লো।

- ঠিকআছে.. এখন কথা বলতে পারো।

- সত্যিইইই.....আচ্ছা ম্যাম আপনি এত্ত সুন্দর একটা জায়গায় খোঁজ কেমনে পেলেন, আমি তো জীবনে ভাবি নাই এখানে এত সুন্দর একটা জায়গা আছে।

- ছোট থাকতে একবার বাবার সাথে আসছিলাম। আর মন খারাপ থাকলে এখানে আসি।

- ওহহহহহহহহ... আজকে তাহলে আপনার মন খারাপ তাই না, কোন চিন্তা করবেন না আমি আছি তো, এক মিনিটে মন ভালো করে দিবো। আমি না ম্যাজিক পারি। দেখবেন।

- তোমাকে কথা বলতে বলাই আমার ভুল হয়েছে। আমার আজকে মন খারাপ না বুঝলা, তোমাকে পড়ানোর জন্য এর থেকে নির্জন ভালো জায়গা আমার চেনা নাই। আর তোমার কথার জন্য মনে হয় না এই জায়গাটা ও নির্জন থাকবে। এবার ঐ ব্রেঞ্চটাতে বসো।

- কেনো। আমরা তো পড়তে আসছি ব্রেঞ্চ এ বসবো কেনো।

- ওহহহহহ..... ছাগল, ব্রেঞ্চ এ বসে বসেই তো পড়বো নাকি।

- ওহহহহহহ হ্যা তাই তো।

- এবার পড়া শুরু করো।

- ওকে।

- আজকে তাহলে এপর্যন্তই, কালকে এই পড়া গুলো করে আসবা । যদি না করো , তাহলে আর কালকে থেকে পড়াবো না। মনে থাকে যেন।

- হুমমমমমম....... (অদ্ভুত পড়ানোর স্টাইল, মারলে তবু সহ্য হতো, এইটা তো পুরাই অন্য স্টাইল,এখন যেমনেই হোক পড়া করতেই হবে)। 

ভালোবাসার গল্প


প্রথমদিন এমন করেই গেলো.....।

ওখান থেকে এসো... সোঁজা পড়তে বসলাম, কী আর করার পড়া তো করতে হবে। পড়ছি তো পড়ছিই পড়া মুখস্ত হবার কোন নামই নাই। এইটা কোন সিস্টেম হলো, কেউ একজন একটা জিনিস লিখছে আর সেটাই নাকি মুখস্ত করতে হবে। আরে যে যার মতো স্টাইলে লিখলে ক্ষতি কী... অদ্ভুত। কনেক কষ্ট করে রাত দশটার সময় সব পড়া কমপ্লিট। আর ওমনি ইরা ম্যাম কে ফোন দিলাম।

- হ্যালো... ম্যাম।

- সাহরিয়া.. তুমি এত রাতে কেনো ফোন দিছো।

- ম্যাম পড়া তো সব মুখস্ত করে ফেলছি। Ki 8

- তুমি করছো মুখস্ত, ফাইজলেমি না করে পড়তে বসো, পড়া না দিতে পারলে পড়ানো বন্ধ। এখন পড়ো ...  বলেই ফোনটা কেঁটে দিলো। কেমনডা লাগে তাইলে।

- মা ভাত দাও ভাত খামু।

- টেবিলে দেওয়া আছে গিয়ে খেঁয়ে নে।

- আচ্ছা ওকে।

 ভাত খেঁয়ে দেয়ে রুমে এসে শুয়ে আছি। পড়া আমার একদম মুখস্ত হয়ে আছে, তাও বিশ্বাস করলো না। এমনে তো আমার ঘুমই হবে না, কী করমু এখন। আইডিয়া.... ইরা ম্যামের বাড়িতেই চলে যাই, তাহলেই সমস্যা সমাধান হবে আর আমার ঘুম ও আসবে। যেই ভাবা সেই কাজ, চোরের মতো ম্যাডামের জানালাই গিয়ে টোকা দিলাম।

- হ্যালো ম্যাম... ও ইরা..... টক টক টক।

- কে।

- ম্যাম আমি সাহরিয়া।

জানলা খুলে দিয়ে।

- তুমি কী পাগল... এত রাতে এখানে কেনো, কেউ যদি দেখে ফেলে কী হবে জানো।

- কেউ থাকলে না দেখে, আর তোমার দাদুর চশমা তো চুরি করে নিয়ে আসছি, কেউ সামনে থাকলে ও দেখতে পাবে না... হি হি।

- কীইইইই?

- কিছু না... এই ধরেন চশমা।

- তুমি এখানে কেনো।

- আমি না আপনাকে বললাম, আমার পড়া মুখস্ত হয়েগেছে, আর আপনি বিশ্বাস করলেন না, তাইতো বই নিয়ে চলে আসছি। আপনি ধরেন আমার পড়া হয়ে গেছে।

- ওহহহহহহহহহ..... কেনো যে আমি তোমাকে পড়ানোর জন্য রাজি হলাম, সব দোষ আমার। আচ্ছা পড়া হইছে ভালো কথা, এবার বাসাই যাও।

- ইরা.............।

- কীইইইই।

- না মানে ইরা ম্যাম, একটা কথা বলি।

- হুমমমমম।।

- স্কুলে যখন বাচ্চাদের পড়া হয়... ম্যাম তখন তাঁদের মাথাই হাত বুলিয়ে দেয়। আমার ও তো পড়া হইছে মাথাই একটু হাত বুলিয়ে দেন না।

- সাহরিয়া.... এবার কিন্তুু বারাবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।

- আচ্ছা ওকে টাটা, বাই, গুড নাইট.... আর হ্যা দরোজা,জানালা ভালো করে লাগিয়ে দিয়েন কিন্তুু।  তা না হলে যদি জ্বীনেরা এসে আপনাকে পরী ভেবে নিয়ে যায় আমার তখন কী  হইবো... একটা মতো বউ আমার। বলেই উপর থেকে নিচে লাফ দিলাম আর, নিচে পড়ার সময় অনেক জোরে পায়ে লাগছিলো। তবুও খুঁরিয়ে খুঁরিরে দৌঁড়ে বাসাই চলে আসলাম।

 সকালাকে উঠে তো পা নারাতে পারছি না। খুব ব্যাথা করছে আর ফুঁলে উঠছে , তবে এটা বাসাই কাউকে বুঝতে দেওয়া যাবে না । তা না হলে বকা তো দিবেই সাথে কলেজে ও যাওয়া হবে না, আর কলেজে না গেলে ম্যাম কে ও দেখা হবে না। তাই চুপচাপ কোন রকমে বাসা থেকে বের হয়ে, রিক্সা নিয়ে কলেজে চলে আসলাম। রিক্সা থেকে নেমে তো হাঁটতেই পারতেছি না। কোন রকমে হেঁটে হেঁটে ক্লাসে নিয়ে বসলাম, খুব অসহায় লাগতেছিলো, কারণ হাঁটতে ও পারতেছি না, আর ম্যাম কে ও দেখতে পাইতেছি না।

 দুইটা ক্লাস শেষ করে কোন রকমে বারান্দাই এসে দাঁড়ালাম। এমন সময় পিয়ন টা এসে বললে।

- সাহরিয়া....তোমাকে ম্যাডাম তাঁর রুমে যেতে বলছে।

- আচ্ছা।

 একেঁ তো পায়ের ব্যাথা, তাঁর উপরে কালকে ম্যামকে কী সব আবল তাবল বলছি, খুব ভয় ভয় লাগতেছে। ম্যামের রুমের দরোজাই দাঁড়িয়ে।

- ম্যাম... ভিতরে আসবো।

- হুমমমমমম... আসো, কী ব্যাপার আজকে সকাল থেকে কোন দেখা নাই যে। আর কালকে রাতে কী বলে চলে গেলে শুনি।

- না মানে ম্যাম... আসলে... এই দিকে পায়ের ব্যাথাটা যেন আরো বেশি চারা দিয়ে উঠলো, অনেক কষ্ট করে ও আর এক সেকেন্ড  দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। মেঝেতে বসে পড়লাম।

- সাহরিয়া..... কী হয়েছে তোমার।

- তেমান কিছু না ম্যাডাম, ঐ একটু পায়ে লাগছে তাই।

- আমি জানি... তুমি একটুতে বসে পড়ার ছেলে না। দেখি পা।

- এই যে।

- ওহ মাই গড.... পা তো অনেকটা ফুঁলে গেছে , ডাক্তার কে দেখাইছো। 

- না । 

- কীইইইই... তুমি কী পাগল হুমমম। এত বড় একটা দূর্ঘটনা হয়েগেছে ডাক্তার কে দেখাও নাই।

- আসলে মানে... সময় হয় নাই।

- তোমার কিছুতেই সময় হয় না, চলো ডাক্তারের কাছে।

- ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না ম্যাম, এমনি ঠিক হবে।

- আমার থেকে বেশি বোঝ, চলো।

 ওনার গাড়িতে করে ডাক্তারের কাছে গেলাম।

- আংকেল দেখো তো, এই শয়তানটা পায়ের কী অবস্থা করেছে।

- ইরা তুই কখন আসলি।

- আমার কথা বাদ দাও আরে বেয়াদবটার পা দেখো।

- দেখি পা।

- ডাক্তার কাকু একটু ভালো করে দেখেন,হেব্বি ব্যাথা করতেছে।

- আচ্ছা... আগে পা দেখাও।

- আহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ।

- কেমনে করে এই অবস্থা হলো, অকেন বাঁজে ভাবে তো আঘাত লাগছে।

- হনুমান যে একটা... লাগবে না আবার।

 রোমান্টিক গল্প


ইরা ম্যামের
দিকে তাঁকিয়ে দেখি, তাঁর চোখে টলমল করছে পানি। মনে হয় এই কেঁদে দিবে। আর সালার ডাক্তার এত জোঁরে জোঁরে চাপ দিচ্ছে, দাঁতে দাঁত চেপে তা সহ্য করছি। ম্যামের জন্য জোরে চিৎকার ও করতে পারতেছি না।


- এই তো হয়ে গেছে... সব ঠিক হয়ে যাবে , তবে আর একটু জোঁরে লাগলেই পা টা ভেঁঙ্গে যেত। আর তুমি তো অনেক শক্ত অন্য কারো হলে তো এতক্ষণে কেঁদে দিতো।

- আংকেল এখন সব ঠিক হবে তো।

- হ্যা... কিছু ঔষধ লিখে দিচ্ছি খেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।

- আচ্ছা.... তোমার কত টাকা হলো বলো।

- দূর পাগলি , আমাকে টাকা দিয়ে ছোট করতে চাস হ্যা।

- ঠিকআছে।

- তোর বাবা মা কেমন আছে ।

- ভালো।

- আর তোর দাদু।

- দাদু ও ভালো আছে।

- আর এই যে হনুমান, একটু কম লাফালাফি করো কেমন, আর একটু হলেই তো পা টা ভেঙ্গে ফেলতে। আর কয়েকটা দিন একটু কম হাঁটা হাঁটি করো।

- হুমমমমম.... ঠিকআছে।

- আংকেল... আমরা এবার গেলাম।

- আচ্ছা করে যাস।

- ওকে।

গাড়ির মধ্যে চুপচাপ বসে আছি।

- কী... এখন এমন চুপচাপ কেনে লাফাই.... বেয়াদব একটা। কেমন করে এমনটা হলো শুনি।

- ঐ যে কালকে যখন তোমাদের জানালা থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়ছিলাম তখন। সরি।

- কেনো।

- তুমি বলে ফেলছি তো।

- ঠিকআছে..... বাসাই বলছো।

- বললে কী কলেজে আসতে দিতো নাকি।

- আমি যতদূর জানি, একটু কিছু হলেই কলেজে আসতে না, আর আজ কী জন্য শুনি।

- জানি.... কোন কিছুর একটা টানে....।

- ভালো।

- আজকে বিকেলে আসতে হবে না... বাসাই রেস্ট নিবা।

- না না না.... এই যে দেখেন পা তো ভালো হয়ে গেছে।

- শুধু আমরা দুই জন থাকলে , তুমি বলতে পারো , তবে সবার সামনে আপনি বলবা।

- আচ্ছা।

- তোমার বাসা চলে আসছে বাসাই যাও, আমি কলেজ থেকে সব বই নিযে নিবো। আর বিকেলে আসতে হবে না।

- কেনো পা তো ভালো হয়ে গেছে।

- চুপচাপ বাসাই যাও।

- হুমমমমম।

- সাবধানে যেও।

- আচ্ছা।

রুমে যেই মাত্র ঢুকতে যাবো, এমন সময় মনে হলো হায় হায় বই তো সব কলেজে আছে, আর খাতার মধ্যে তো  ইরা ম্যাডামের ছবি দাগিয়ে পাপ্পি দিছিলাম, এবার কী হবে যদি ছবিটা দেখে ফেলে। দূর যা হবার হবে, আগে তো ছবিটা দেখুক... হয় একটা থাপড়ানি দিবে না হয় একটা পাপ্পি.. হি হি হি !!!



আরো কিছু গল্পঃ পড়তে নিচে ক্লিক করুন

সিনিয়র বউ

সাইকো থ্রিলার উপন্যাস

ক্রাইম থ্রিলার গল্প

থ্রিলার গল্পঃ [দস্যুকন্যা]

থ্রিলার গল্পঃ  [জাদুকর]

প্রিন্সিপাল ম্যাম

বাসর রাত

সাইকো থ্রিলার [কসাই]

সাইকো থ্রিলার: [মগজ]


Collected from Facebook 

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.